লক্ষ্য করলাম, এবার কল্যাণপুরের জঙ্গি আস্তানায় পুলিশের অভিযান সরাসরি সম্প্রচার করেনি দেশের বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলগুলো কোনোটিই! অন্যদিকে সরকারি টেলিভিশন তো এসবের কাছে-ধারেই নেই! লক্ষণীয় বিষয় হলো, বেসরকারি টিভিগুলোতে যখন এই সব অভিযান নিয়ে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় কাজ করে, মরিয়া হয়ে ওঠে খবরের সন্ধানে এবং তা প্রচারের মধ্য দিয়ে আমাদেরকেও এই উদ্বেগের অংশীদার করে তখন বিটিভি বেহালা বা রাগসঙ্গীত প্রচার করে! কী কারণে বিটিভি কর্তৃপক্ষ এমন করে, তা আমার ঠিক জানা নেই। তবে আমাদের ‘উৎকণ্ঠাহীন’ সময় কাটানোর জন্য বোধহয় একটা প্রক্রিয়া হতে পারে এটা! যাই হোক, মূল আলোচনায় ফেরা যাক।
১. হলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গিবিরোধী অভিযান পরিচালনার সময় বেসরকারি টেলিভিশনগুলোতে যেভাবে সরাসরি সম্প্রচার চলছিল তা নিয়ে অনেক ধরনের আলোচনা-সমালোচনা হয়েছিল। খোদ প্রধানমন্ত্রী গুলশান অ্যাটাকের পর বিভিন্ন সময় দেশের সংবাদমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন করেছেন, ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। বিশেষ করে সর্বশেষ সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়টি নিয়ে তার বক্তব্য আরও স্পষ্ট করেছেন। যেখানে তিনি যা বলতে চেয়েছেন, তার সারমর্ম হলো, সরাসরি সম্প্রচারের কল্যাণে অভিযানের অনেক কৌশল ভেতরে থাকা জঙ্গিদের অবহিত করছিল বাইরে থাকা তাদের সহায়ক দল। তিনি এও বলেন যে, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আমাদের দেশিয় টিভিতে প্রচারিত ফুটেজ ব্যবহার করে বিশ্বে আমাদের ‘তাদের’ মতো করে উপস্থাপন করেছে! এক্ষত্রে বিষয়টা এভাবে বলা যেতে পারে যে, ‘আমাদের’দেশিয় টিভিতে প্রচারিত ফুটেজ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে ‘তাদের’ এজেন্ডা বাস্তবায়নে!
সে আলোচনা আবারও সামনে এলো যখন কল্যাণপুরের অভিযান প্রক্রিয়া সরাসরি সম্প্রচারিত হলো না! কেউ কেউ মনে করছেন, তাহলে তারা জানবেন কীভাবে দেশে কী হচ্ছে না হচ্ছে! কেউ কেউ ভাবছেন, ঠিকই আছে, এত জানার দরকার কী! সন্ত্রাস দমন করতে পারলেই হলো! ভার্চুয়াল মিডিয়াতে তা নিয়ে চলছে তর্ক-বিতর্ক!
তাহলে এ ধরনের জঙ্গিবিরোধী অভিযানের ক্ষেত্রে সংবাদমাধ্যমের ভূমিকা কী হবে কিংবা কী হওয়া উচিত তা নিয়ে চারদিকে নানান প্রশ্ন কিংবা গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে! পরিস্থিতি বলছে, এ ধরনের অভিযান আরও চলবে সামনে; সেক্ষেত্রে টিভি চ্যানেলগুলোর প্রচার কার্যক্রম কী হতে পারে, সেগুলো নিয়ে এখনই আমাদের ভাবতে হবে।
২. এবার আসি আন্তর্জাতিক সংবদামাধ্যম প্রসঙ্গে! কয়েকটি আন্তর্জাতিক টিভি চ্যানেল যেভাবে সেদিন রাত-দিন এক করে গুলশান অ্যাটাকের ঘটনা সম্প্রচার করলো, তা আমার মতো অনেকের কাছেই এই মাধ্যমগুলোর ‘স্বাভাবিক’ আচরণ মনে হয়নি! ‘স্বাভাবিকতা’র কথা বললাম একারণে যে, তাদের সংবাদ প্রচারের ধরন-ধারণে কেমন যেন ‘সংবাদ প্রচার’-এর চেয়ে ‘সংবাদ নির্মাণ’-এর প্রতি উৎসাহ এবং মনোযোগ বেশি ছিল বলে মনে হলো!
তাদের এতকালের পরিচিত ‘প্রচার কৌশল’ যেন একদম অন্যরকম ঠেকলো!
নোয়াম চমস্কি একবার তার ‘প্রোপাগান্ডা অ্যান্ড কন্ট্রোল অব দ্য পাবলিক মাইন্ড’ শীর্ষক এক ভাষণে বলেছিলেন, ‘করপোরেট প্রোপাগান্ডার লক্ষ্য হলো, জনগণের ভূমিকার গুরুত্ব হ্রাস করা। নিজের জীবনকে বদলে দিতে পারে এমন সামাজিক ও রাজনৈতিক লড়াইয়ের ক্ষেত্র থেকে জনগণকে সরিয়ে নিয়ে আসা এবং পরস্পরের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি করে একে অপরের ‘বিরুদ্ধে লেলিয়ে দেওয়া’।
আন্তর্জাতিক কিছু সংবাদমাধ্যমের ভূমিকা/কর্ম তৎপরতা যদি লক্ষ করি ‘ঢাকা অ্যাট্যাক’ নিয়ে, তাহলে আমরা দেখতে পাবো কী করে ‘তারা’ বাংলাদেশকে নিয়ে মন্তব্য করেছে এবং কী ভাষায় সংবাদ পরিবেশন করেছে।
কিছু আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম যে খুব স্পষ্টভাবেই একটি ‘এক ও অভিন্ন করপোরেট ‘প্রোপাগান্ডা’ ছড়িয়ে দিয়ে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সাধারণ মানুষের মনোজগতকে নিয়ন্ত্রণ করছে এবং বিভাজিত করছে, তা সেদিন অনেকের কাছেই যেন ধরা পড়েছিল। কারণ, জনগণের মনোজগৎকে যদি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়, তবেই তারা তাদের কার্যসিদ্ধি করতে সক্ষম হবে। উদার অর্থনীতির এই যুগে গণতন্ত্র, সভ্যতার স্রষ্টা এইসব মিডিয়াকে ভাবা হয় স্বাধীন এবং সত্য উদ্ঘাটন ও বস্তুনিষ্ঠ রিপোর্ট করার প্রতি দায়িত্বশীল কিন্তু আদতে তারা যে কোনওভাবেই এতটা স্বাধীন এবং স্পষ্টবাদী নয়, তার প্রমাণ মেলে এই ঘটনায় তাদের সংবাদ প্রকাশের ধরন-ধারণ দেখে! পৃথিবীর ক্ষমতাধর গোষ্ঠী যে প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশের মতো রাষ্ট্রগুলোকে দেখতে চায়, ঠিক যেন সেই রকমভাবেই হাজির করা হয় বাংলাদেশকে।
৩. যেখানে ‘আমরা’ খুব শিগগিরই মধ্যমআয়ের দেশে উপনীত হতে যাচ্ছি, সেখানে আমাদের এই ধরনের ‘লেভেলিং’ দেওয়ার মাধ্যমে ‘তাদের’ নতুন ‘ডিসকোর্স তৈরি’র চেষ্টাকে আমাদেরই বুঝতে হবে! মনে রাখতে হবে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর পর এবং তার পরবর্তী বিভিন্ন সময় আমাদের মতো দেশগুলো কী প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে নিজেরাই নিজেদের ‘অনুন্নত’, ‘পশ্চাদপদ’ ভাবতে শুরু করলাম এবং পরাক্রমশালী দেশগুলোকে ‘ক্ষমতা’ দিলাম আমাদের ‘সমস্যা’ খুঁজে বের করার জন্য এবং তা ‘সমাধান’ এর জন্য!
‘উন্নয়ন’ ডিসকোর্স চালু করার মধ্যদিয়ে কী করে এশিয়া, আফ্রিকা, ল্যাটিন আমেরিকার মতো দেশগুলোর ‘সমস্যা’ খুঁজে বের করা হলো, তার ‘নির্মাণ’-‘বিনির্মাণ’ হলো, এবং পরবর্তীতে তা ‘সমাধান’ এর জন্য রাজনৈতিক এবং কূটনীতিক ‘হস্তক্ষেপ’ প্রয়োজনীয় হয়ে উঠেছিল এবং তার ফলাফল যা হলো- তা আমাদের সবারই জানা! তবে এই মুহূর্তের ডিজিটাল পৃথিবীতে সংবাদমাধ্যম যতটা দ্রুত শক্তিশালী ভূমিকা রাখতে পারছে, তখনকার সময়ে তা সম্ভব ছিল না। তাই, মহাপরাক্রমশালী দেশগুলোর জন্য সংবাদমাধ্যম  আগের তুলনায় এখন আরও অনেক বড় ‘সহায়ক শক্তি’ হয়ে উঠেছে একথা ‘আমাদের’ ভুলে গেলে চলবে না।
৪. এটা যে তারা আজকেই এই ঘটনায় প্রথমবারের জন্য করেছেন, তা নয়। সেই ইরাক হামলা, সিরিয়া, আফগানিস্তানের ওপর হামলার ঘটনাগুলোর ক্ষেত্রেও একইরকম উদ্বেগ-উত্তেজনা-উৎকণ্ঠা নিয়ে খবর প্রচারিত হতো, যার পেছনের অর্থ থাকতো ভিন্ন। কিন্তু দর্শক হিসেবে আমাদের এই ‘অর্থের ভিন্নতা’ খুঁজে পাওয়া খুব সহজ নয়। আমাদের কাছে ইরাক যুদ্ধ কিংবা আফগানিস্তানে ঘটে যাওয়া যুদ্ধ তাই যা আমরা এইসব সংবাদমাধ্যমে দেখেছি বা আমাদের দেখানো হয়েছে বা আমাদের সামনে উপস্থাপন করা হয়েছে! এর বাইরে কোনও ‘সত্য’ আমাদের কাছে ওই মুহূর্তে ছিল না। তাহলে সংবাদমাধ্যম কতটা ‘শক্তিশালী মাধ্যম’ তা কিছুটা আঁচ করা যেতে পারে!
৫. এই সব সংবাদমাধ্যমে ঢাকা অ্যাটাকের খবর পরিবেশনের হালহাকিকত দেখতে দেখতে স্টুয়ার্ট হল-এর ‘পরিবেশনের রাজনীতি’র কথা মনে পড়ছিল। তারা ‘ঢাকা’কে যেভাবে চিত্রায়িত এবং বর্ণনা করছেন, তাই কি আমাদের সত্যিকারের ঢাকা! আমাদের রাজধানী ঢাকা যে অসাম্প্রদায়িকতার অসংখ্য চিত্র রয়েছে, তা কি তারা পাশাপাশি চিত্রিত করতে পারতেন না, যেখান হতে এই শহরের সত্যিকার চরিত্র দেখানো যেতো সারাবিশ্বকে!
তা না করে কেন কেবলমাত্র অভিযানের গোটা কতক ফুটেজ দিয়েই রাত-দিন পার করে দিচ্ছে বিশ্বখ্যাত এই সংবাদমাধ্যমগুলো, যাদের স্ক্রিনে প্রতিটি সেকেন্ড মিলিয়নের হিসাব চলে! একেই কি বলে বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা? অথচ প্যারিস হামলার পর পর তাদের আলোচনায় যেমন ছিল সেই মুহূর্তের হামলার চিত্র এবং সাথে সাথে আলোচনায় উঠে আসছিল হামলা পূর্ববর্তী প্যারিসের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংকৃতির কথা! তারা কি এই ঢাকার একদিন আগের চিত্রও কেমন ছিল, তা দেখিয়েছে? কীভাবে যেকোনও উৎসব আয়োজনে অসাম্প্রদায়িক চেতনায় ভরপুর ঢাকাবাসী একসাথে পথ চলে বৈশাখে, সেই স্থিরচিত্র নিয়ে একবারের জন্যও আলোচনা করেছে? তারা কি কথা বলেছে আমাদের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, ইসলামিক মূল্যবোধ, আমাদের অসম্প্রদায়িক চেতনা নিয়ে? কেন করেনি, তা কি আমরা কখনও ভেবে দেখছি? অথচ আমাদের প্রতিটি টিভি চ্যানেল তো সারাক্ষণ এই আলোচনাতেই ডুবে ছিল বা এখনও আছে যে, কীভাবে, কেন আমাদের এই অসাম্প্রদায়িক চেতনার মাঝে আঘাত আনার চেষ্টা করছে একদল সন্ত্রাসী, উঠে আসে আমাদের অতীত ইতিহাস ঐতিহ্য, আসে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা, আসে দেশপ্রেম, একাত্মবোধের কথা! সেই আলাপ-আলোচনা কি একবারের জন্যও তাদের সংবাদমাধ্যমে স্থান পেয়েছে?
৬. পশ্চিমা মিডিয়ার এই ধরনের ভূমিকাকে বহুবার উন্মোচিত করেছেন নোয়াম চমস্কি। তিনি পোল্যান্ডের পুলিশ দ্বারা ১৯৮৪ সালে নিহত পোলিশ ধর্মযাজক জার্জি পপিলাজকোর মিডিয়া কাভারেজ এবং ক্ষমতাধর রাষ্ট্রগুলোর প্রভাব-বলয়ে ল্যাটিন আমেরিকার দেশগুলোতে নিহত শত শত ধর্মযাজকের মিডিয়া কাভারেজের- এই দুইয়ের মাঝে যে একটা ধারাবাহিক অসামঞ্জস্যতার অদৃশ্যমান চিত্র, তা তুলে ধরেছেন তুলনামূলক বিচার-বিশ্লেষণের মধ্য দিয়ে। ঠিক একইভাবে কয়েকদিন আগে অরলান্ডোতে ঘটে যাওয়া সন্ত্রাসী আক্রমণের মিডিয়া কাভারেজ এবং শুক্রবারের গুলশানের সন্ত্রাসী আক্রমণের মিডিয়া কাভারেজ- এই দুটি সূক্ষ্মভাবে তুলনা করলে ঠিক একই রকমের সেই ‘পরিবেশনের রাজনীতি’ই আমাদের চোখে পড়বে এবং আন্তর্জাতিক এই করপোরেট মিডিয়ার মূল লক্ষ্য যদি হয়, যা হচ্ছে সেই খবর প্রকাশের চেয়ে বরং নতুনভাবে ‘খবর নির্মাণ’এবং নির্ধারিত এজেন্ডাকে সামনে রেখে প্রচার করা, তাহলে সেটা হবে আমাদের জন্য দুঃখজনক।
এডওয়ার্ড সায়ীদ বেশ আগেই দেখিয়েছেন যে, কী করে পশ্চিমা বিশ্ব মুসলিমদেরকে ‘খুনি’, ‘সন্ত্রাসী’, ‘অপহরণকারী’ হিসেবে চিত্রিত করে চলছে তাদের সংবাদ পরিবেশনে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, আমরাও কি তাদের এই এজেন্ডাকে বাস্তবায়নের জন্য কাজ করবো কিনা!  ভুলে গেলে হবে না যে, ফিলিস্তিনিদের স্বাধীনতা সংগ্রাম কিংবা ইরানের সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসনের মুখে আত্মরক্ষার জন্য নেওয়া যুদ্ধ কৌশলকে কী প্রক্রিয়ায় সেসব প্রচার মাধ্যমে ‘সন্ত্রাসী তৎপরতা’ বলে আখ্যা দেওয়া হয়েছিল!
আমাদের মনে রাখতে হবে, মধ্যমআয়ের দেশে পরিণত হতে যাওয়া বাংলাদেশ এখন অনেক ‘শক্তি’র কাছেই খুব গুরুত্বপূর্ণ! তাই এই ‘গুরুত্ব’কে মাথায় রেখে একদল যদি ‘আমাদের’কে কিছু সন্ত্রাসীর দৃষ্টান্ত দেখিয়ে গোটা বাংলাদেশকে ‘সন্ত্রাসের আস্তানা’ বানিয়ে ফেলার রাজনীতি করে, তাহলে সেই রাজনৈতিক অবস্থান সম্পর্কে আমাদের প্রত্যেককে সচেতন হতে হবে। ‘ইসলাম সন্ত্রাসের ধর্ম’ কিংবা ‘মুসলমান মানেই সন্ত্রাসী’ -এই ধরনের ডিসকোর্স কেউ কেউ আগে ব্যবহার করলেও এখন হস্তক্ষেপ এবং নিয়ন্ত্রণের বিভিন্ন কৌশল বদলের সঙ্গে সঙ্গে এসব ডিসকোর্সেরও বদল ঘটিয়েছে। তাই, সময় এসেছে, যেকোনও আন্তর্জাতিক মহলের ডিসকোর্স দ্বারা মগজ না ধুয়ে, কারও এজেন্ডা বাস্তবায়নের হাতিয়ার না হয়ে কেবল ‘নিজস্ব’ শক্তি আর সাহস দিয়ে ‘ক্ষমতার রাজনীতির’ বিরুদ্ধে ‘আমাদের’ নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করার!
আমাদের ভুলে গেলে চলবে না, প্রত্যেকটি মানুষেরই রয়েছে নিজস্ব ক্ষমতা! মিশেল ফুকোর মতো করেই বলছি, ক্ষমতা সর্বত্র বিস্তৃত! ক্ষমতা একমুখী নয়। প্রতি মানুষের ‘ক্ষমতা’র বিরুদ্ধে লড়াই করার মতো ক্ষমতা আছে। এই আত্মশক্তি আমাদের ভেতর আনতে হবে নতুনভাবে। অতএব যারা আমরা ভাবছি, আমরা জঙ্গি/সন্ত্রাসের কাছে হেরে যাচ্ছি কিংবা আমরা পরাক্রমশীল শক্তির কাছে মাথা নত করছি, উভয় অপশক্তির হাত হতে রেহাই পাওয়ার জন্য ‘আমাদের’কেই আজ যার যার অবস্থান হতে শক্ত ভূমিকা রাখতে হবে।

http://www.banglatribune.com

Sharing